Liver Damage: গবেষণা বলছে, ৩-৪ মাস প্রতিদিন ১ গ্রাম করে প্যারাসিটামল খেলে একটা সময়ের পর ঘোরতর লিভার ও কিডনির সমস্যা হতে পারে। লিভারে ক্ষত, গ্যাস্ট্রিক আলসারের মতো সমস্যাকে ডেকে আনে। এছাড়া ধীরে-ধীরে এই ধরনের পেইন কিলার কিডনিকে বিকল করে দিতে পারে।
ব্যথা বেদনায় জর্জরিত? হাতের কাছেই পেইন কিলার। টপাটপ মুখে ভরে দিলেই কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যথা গায়েব। শান্তি! তবে এই সাময়িক শান্তি যে শরীরের কত বড় ক্ষতি ডেকে আনছে তা আপনি বুঝতেও পারছেন না।
অনেকে এক নাগাড়ে পেইন কিলার খেয়ে যান। শরীরের কথা মাথায় রাখেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস আপনাকে ধীরে-ধীরে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জানুন নিয়মিত পেইন কিলার অর্থাৎ ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস (NSAIDs) খেলে কী ক্ষতি হয় শরীরের…
গবেষণা বলছে, ৩-৪ মাস প্রতিদিন ১ গ্রাম করে প্যারাসিটামল খেলে একটা সময়ের পর ঘোরতর লিভার ও কিডনির সমস্যা হতে পারে। লিভারে ক্ষত, গ্যাস্ট্রিক আলসারের মতো সমস্যাকে ডেকে আনে এই অভ্যাস। এছাড়া ধীরে-ধীরে এই ধরনের পেইন কিলার কিডনিকে বিকল করে দিতে পারে। এমনকি, বিশেষজ্ঞদের মতে, কেউ যদি টানা ২ সপ্তাহ পেইন কিলার খান তবে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে কিডনির উপর।
লিভারের ক্ষতি: এক নাগাড়ে পেইন কিলার খাওয়ার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে লিভারের উপর। এই অভ্যাস লিভারে উৎপাদিত উৎসেচক বিলিরুবিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।
রক্ত পাতলা করে দেয়: লিভারের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি, অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন এবং নেপ্রোক্সেন-এর মতো পেইন কিলার রক্ত জমাট বাঁধিয়ে দেয়। একমাত্র যাঁদের রক্ত জমাট বাঁধার এবং হার্টের সমস্যা রয়েছে তাঁদের জন্যই এই ওষুধগুলি উপকারি হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে এসব পেইন কিলারের উপর নির্ভর না করে রক্ত পাতলা করার ওষুধ খাওয়াই ভাল। কারণ অত্যধির পেইন কিলার খেলে রক্ত বেশি পাতলা হয়ে যেতে পারে এবং অত্যধিক রক্তপাত হওয়ার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।
হার্টের ঝুঁকি: গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস (NSAIDs) হার্টকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দেয়। এতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে,যাঁরা এই ওষুধগুলি খান তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২০ থেকে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কোনও ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।